২০২৪-২৫ অর্থবছর

ভারতে কমতে পারে চিনির উৎপাদন

ইথানল উৎপাদনে আখের ব্যবহার আরো বেশি বাড়াতে পারে ভারত। এ কারণে ২০২৪-২৫ বিপণন বর্ষে দেশটিতে চিনি উৎপাদন কমে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইথানল উৎপাদনে আখের ব্যবহার আরো বেশি বাড়াতে পারে ভারত। এ কারণে ২০২৪-২৫ বিপণন বর্ষে দেশটিতে চিনি উৎপাদন কমে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে ইন্ডিয়ান সুগার অ্যান্ড বায়ো এনার্জি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। খবর রয়টার্স।

সংস্থাটি জানায়, ভারতে ২০২৪-২৫ বিপণন বর্ষে চিনি উৎপাদন হতে পারে ২ কোটি ৭২ লাখ ৭০ হাজার টন, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪ দশমিক ৭ শতাংশ কম।

সংস্থাটি আরো জানায়, চলতি মৌসুমে ভারত ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টন চিনি ইথানল উৎপাদনে ব্যবহার করবে। আগের মৌসুমে এ পরিমাণ ছিল ২১ লাখ ৫০ হাজার টন।

এর আগে ভারতে চিনি উৎপাদন কমার পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির ন্যাশনাল ফেডারেশন অব কো-অপারেটিভ সুগার ফ্যাক্টরিস লিমিটেড (এনএফসিএসএফ)।

সংস্থাটির দেয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২৪-২৫ মৌসুমে ভারতে চিনি উৎপাদন ২ কোটি ৭০ লাখ টন হতে পারে। এটি এর আগে ২ কোটি ৮০ লাখ টনের পূর্বাভাসের তুলনায় কম। ভারত ২০২৩-২৪ মৌসুমে মোট ৩ কোটি ১৯ লাখ টন চিনি উৎপাদন করেছিল।

উল্লেখ্য, এনএফসিএসএফ হলো চিনির মিলগুলোর প্রতিনিধিত্ব ও সহায়তাকারী একটি সংগঠন। এটি চিনির মিলগুলোর উন্নয়ন, সহায়তা প্রদান ও এ খাতের উন্নতি সাধনে কাজ করে।

ভারত সাধারণত ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে চিনি রফতানি করে। ২০২২-২৩ অর্থবছর পর্যন্ত পাঁচ বছর ধরে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রফতানিকারক ছিল দেশটি। এ সময় বার্ষিক গড় রফতানির পরিমাণ ছিল ৬৮ লাখ টন। তবে ভারত ২০২৩-২৪ বিপণন বর্ষে চিনি রফতানির অনুমতি দেয়নি। যদিও চলতি বিপণন বর্ষে ১০ লাখ টন রফতানির অনুমতি দিয়েছে দেশটি।

আরও